নাইট ডিউটি
কলকাতায় নাইট ডিউটিতে থাকা এক কনস্টেবল বিদ্যাসাগর সেতুর ঠিক মাঝখানে নিজের ছোট ভাইয়ের হলুদ ট্যাক্সি ফাঁকা অবস্থায় পায় — ইঞ্জিন চালু, সিটে রক্ত — ভোর হওয়ার আগেই তাকে ভাইকে খুঁজে বার করতে হবে।
Every document below came out of one screenplay, generated in Bengali rather than translated into it. Nothing here is a template or a mock-up — it is the same output the product produces for a real project.
Synopsis
বিদ্যাসাগর সেতুর এক দিকে হেস্টিংসের সুনসান রাস্তা, অন্য দিকে হাওড়ার সার সার গুদাম — শ্রাবণীর নাইট বিট বলতে এইটুকুই। দিনে সে খিদিরপুরের ভাড়া বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকে, রাতে ওয়্যারলেসের খসখস ছাড়া সঙ্গী কেউ নেই। বাপি বছর তিনেক হল ট্যাক্সি চালাচ্ছে। একটা রাতের মধ্যে তাকে ঠিক করতে হবে, সে আগে পুলিশ না আগে দিদি।
Theme: আইন ও উর্দির সীমা অতিক্রম করে কি পারিবারিক দায়িত্ব ও ভালোবাসাকে রক্ষা করা সম্ভব?
Story beats
The structural pass, before a line of dialogue exists — what each act has to do.
Act 1 — রাতের অন্ধকার ও সিদ্ধান্ত · 1-30
অন্ধকার কলকাতার নির্জন রাতে কনস্টেবল শ্রাবণী মণ্ডলের সাধারণ ডিউটির মধ্য দিয়ে গল্পের সূচনা হয়। বিদ্যাসাগর সেতুর ওপর পরিত্যক্ত ও রক্তমাখা অবস্থায় ভাইয়ের ট্যাক্সিটি খুঁজে পাওয়ায় তার সুশৃঙ্খল জীবন মুহূর্তে ওলটপালট হয়ে যায়। অফিসিয়াল কন্ট্রোল রুমে খবর না জানিয়ে নিজেই তদন্ত শুরু করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে শ্রাবণী এক অনিশ্চিত বিপদের দিকে পা বাড়ায়।
Act 2 — সংঘাত ও সত্যের উন্মোচন · 31-90
শ্রাবণী সরকারি আইন ও পুলিশের উর্দির সীমা অতিক্রম করে রাতের শহরের গভীরে প্রবেশ করে। ভাইয়ের নিখোঁজ হওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে সে নিজের পারিবারিক দায়িত্ব এবং পেশাগত সত্যের চরম দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হয়। এই অঙ্কের শেষে সে বাপির সন্ধানের খুব কাছে পৌঁছালেও নিজের সমস্ত আইনি পথ রুদ্ধ হয়ে সম্পূর্ণ সংকটে নিপতিত হয়।
Act 3 — ভোর ও সত্যের মুখোমুখি · 91-120
নিমতলা ঘাটের অন্ধকার গুদামে বন্দি অবস্থায় শ্রাবণীকে নিজের পুলিশি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, অপরাধ চক্রের ব্ল্যাকমেল এবং রক্তাক্ত ভাইয়ের জীবনের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। ভোরের আলো ফোটায় চারপাশের পরিস্থিতি এক চূড়ান্ত সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যায়, যেখানে শ্রাবণীকে তার উর্দির সম্মান রক্ষা এবং ভাইকে বাঁচানোর একমাত্র পথটি খুঁজে নিতে হবে। এই অঙ্কের শেষে সমস্ত শারীরিক ও আইনি সংঘর্ষের অবসান ঘটে এবং শ্রাবণী নিজের কর্মের নৈতিক পরিণতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক নতুন স্বাভাবিকতায় প্রবেশ করে।
Characters
- শ্রাবণী মণ্ডলProtagonist
কলকাতা পুলিশের নাইট পেট্রোলিং ও ট্রাফিক আউটরিম বিভাগের কনস্টেবল। রাতের শহরে ডিউটি অফিসার হিসেবে টহল দেওয়া, সন্দেহভাজন গাড়ি তল্লাশি করা এবং জরুরি পরিস্থিতি সামলানো তার কাজ।. শ্রাবণী অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, একগুয়ে ও মেপে কথা বলা একজন নারী। সে বিশ্বাস করে যে পৃথিবীর যেকোনো সমস্যাকে শক্ত হাতে ও প্রটোকল ...
- জগন্নাথ নস্কর (জজ্ঞু)Antagonist
চিতপুর ও নিমতলা ঘাট এলাকার বেআইনি চোরাচালান ও সিন্ডিকেট চক্রের প্রধান। সে উত্তর কলকাতার গঙ্গার ঘাটকেন্দ্রিক অবৈধ মালামাল পরিবহন এবং চড়া সুদের কারবার পরিচালনা করে।. জজ্ঞু অত্যন্ত সুচতুর, শীতল এবং হিসাবি মেজাজের মানুষ। সে অহেতুক চিৎকার বা মারামারি করে নিজের শক্তি ক্ষয় করে না, বরং শান্ত গলায় ভয় দ...
- অরিন্দম সেনSupporting
কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট। লালবাজার কন্ট্রোল রুমের নৈশকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সরকারি নিয়মমালা ও ফাইলপত্র নিখুঁতভাবে পরিচালনা করা তার কাজ, যা তার অনুশাসনী জীবনের পরিচয় দেয়।. অরিন্দম অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ, শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং অনুভূতির প্রকাশে কৃপণ এক মানুষ। সরকারি আইনের বাইরে কোনো ব্যক্তিগত আ...
- বিশ্বজিৎ মণ্ডল (বাপি)Supporting
হলুদ ট্যাক্সি চালক। শিয়ালদহ স্টেশন ও উত্তর কলকাতার অলিগলিতে ভাড়ায় গাড়ি চালায়। এই পেশা তাকে কলকাতার নৈশ জীবনের বিপজ্জনক অন্ধকারের একদম মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়েছে।. বাপি অত্যন্ত আবেগী, বেপরোয়া এবং প্রচণ্ড আত্মাভিমানী। সে মনে করে তার দিদি শ্রাবণী তাকে সব সময় ছোটদের মতো শাসন করে, তাই নিজের সা...
- সুভাষ কয়ালSupporting
উত্তর কলকাতার এক পুরোনো অন্ধকার গলির ভেতর বেআইনি মেকানিক গ্যারেজের মালিক। রাতদুপুরে চুরি করা ট্যাক্সির পার্টস বদলানো, ইঞ্জিন নম্বর ঘষে মুছে দেওয়া এবং গাড়ির মেটালিক নম্বর প্লেট জাল করাই তার মূল জীবিকা।. সুভাষ অত্যন্ত চতুর, স্বার্থপর এবং স্বভাবগতভাবে ভীরু একজন মানুষ। তার মূল মন্ত্র হলো নিজের গা ব...
The screenplay
The opening, as formatted screenplay. The full script runs to 167 pages.
ACT 1
INT. লালবাজার কন্ট্রোল রুম - NIGHT
দেওয়ালের বিশাল প্যানেলে ছড়ানো একের পর এক সিকিউরিটি মনিটর। মেঝের ওপর হালকা গুঞ্জন। দূরবর্তী ল্যান্ডলাইন ফোনের একটানা রিংশব্দ, কিবোর্ডের খটখট আওয়াজ আর বেতার তরঙ্গের সিগন্যাল ট্র্যাকিংয়ের মিহি শব্দে গিজগিজ করছে লালবাজারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।
ক্যামেরার ক্লোজ-সার্কিট দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে মধ্যরাতের ঝিমিয়ে পড়া কলকাতা। হাওড়া ব্রিজের মাথায় নিঃসঙ্গ আলোর সারি, সেন্ট্রাল এভিনিউয়ের ফাঁকা রাজপথ, পোর্টের অন্ধকারের মধ্যে মালবাহী ট্রাকের আবছা ছায়া, আর দূরে বিদ্যাসাগর সেতুর একাকী ঝুলন্ত কাঠামো।
ঘরের কেন্দ্রস্থলে উঁচু মেহগনি কাঠের দীর্ঘ টেবিল। সেখানে সারি দিয়ে বসানো অ্যালুমিনিয়ামের ভারী ওয়াকিটকি চার্জার, এনালগ ফ্রিকোয়েন্সি টিউনার, এবং দুটি মোটা লাল ফিতে বাঁধা নাইট রেজিস্টার খাতা।
দেওয়ালের ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে এসে থমকে দাঁড়ায়। রাত দুটো বেজে পনেরো মিনিট।
সার্জেন্ট অরিন্দম সেন টেবিলের মূল চেয়ারে সোজা হয়ে বসে আছেন। কোনো হেলদোল নেই। পরনে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন, দাগহীন এবং ইস্ত্রি করা পুলিশ সার্জেন্টের শার্ট। কলারের ওপর রূপালী ব্যাজ চকচক করছে। মুখের চোয়াল শক্ত, সুবিন্যস্ত গোঁফের নিচে পাতলা ঠোঁট দুটি আঁটসাঁট হয়ে বন্ধ।
নাকের ওপর বসা চশমার কাঁচের ভেতর দিয়ে তিনি খাতায় নজর রাখছেন। তার ডানহাতে ধরা একটি দামী লাল ফাউন্টেন পেন। প্রতিটি নামের পাশে তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্ম কোণ মেপে টিক চিহ্ন দিচ্ছেন।
টেবিলের ওপর ঝুলতে থাকা মেটালিক গোস-নেক মাইক্রোফোনটি নিজের দিকে টেনে নেন অরিন্দম। চ্যানেল চার সিলেক্ট করে লাল বোতামটি চেপে ধরেন। তার গলার স্বর নিচু, কিন্তু তাতে এক ধরণের অনুশাসনমূলক তীক্ষ্ণতা রয়েছে যা ঘরের সার্বিক গুঞ্জনকে মুহূর্তে স্তব্ধ করে দেয়।
অরিন্দম
কন্ট্রোল রুম টু অল নাইট সেক্টর ইউনিটস। জিরো টু ওয়ান ফাইভ আওয়ার্স ম্যানুয়াল রেডিও চেক। প্রতিটি টহলকারী গাড়ি এবং বিট অফিসার নিজেদের নাম, ব্যাজ নম্বর এবং বর্তমান অবস্থান রিপোর্ট করুন।
ওয়্যারলেস সেটের স্পিকারে প্রথম কয়েক সেকেন্ড ঘর্ষণের শব্দ ওঠে। তারপর উত্তর কলকাতার দিক থেকে একের পর এক কনস্টেবলের বার্তা ভেসে আসতে শুরু করে।
রেডিওর কণ্ঠ (ও.এস.)
সেক্টর ওয়ান, শ্যামবাজার মোড়। কনস্টেবল রায়। ব্যাজ চারশ সাত। অল ক্লিয়ার, স্যার।
রেডিওর কণ্ঠ ২ (ও.এস.)
সেক্টর থ্রি, শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর। কনস্টেবল দত্ত। বিট পাঁচশ বারো। সবকিছু স্বাভাবিক, স্যার।
অরিন্দম টেবিলের খাতায় চোখ রেখে কলম চালান। প্রতিটি কথা তিনি অক্ষরে অক্ষরে লিখে নিচ্ছেন।
অরিন্দম
সেক্টর থ্রি, অকারণ বিশেষণে সময় নষ্ট করবেন না। 'সবকিছু স্বাভাবিক' কোনো অফিশিয়াল কোড নয়। বলুন 'অল ক্লিয়ার'। প্রটোকল মনে রাখুন।
রেডিওর কণ্ঠ ২ (ও.এস.)
যাই, স্যার। অল ক্লিয়ার, স্যার।
অরিন্দমের আঙুল ধীরে ধীরে রেজিস্টার খাতার নিচের দিকে নেমে আসে। পৃষ্ঠা উল্টে তিনি 'আউটরিম ট্রাফিক ও গঙ্গাতীরবর্তী নৈশ টহল' বিভাগের পাতায় থামেন। সেখানে জ্বলজ্বল করছে নাম: 'কনস্টেবল শ্রাবণী মণ্ডল, ব্যাজ নম্বর ৭৮৯, বিট চারশ দুই'।Script breakdown
Every element the script commits the production to — tagged scene by scene. This is what the schedule and the budget are computed from.
Props
- ভারী চওড়া টর্চলাইট ×1
- রক্তে ভেজা ছোট পকেট নোটবুক ×1
- পিতলের লকেট ×6
- ট্যাক্সির অতিরিক্ত চাবি ×4
- অফিশিয়াল ওয়াকিটকি রেডিও ×1
- সার্ভিস রিভলভার ×8
- পুলিশের হেলমেট ×1
- লাল ফিতে বাঁধা নাইট রেজিস্টার খাতা ×1
- দামী লাল ফাউন্টেন পেন ×1
- মেটালিক গোস-নেক মাইক্রোফোন ×1
- অ্যালুমিনিয়ামের ওয়াকিটকি চার্জার ও এনালগ ফ্রিকোয়েন্সি টিউনার ×1
- প্লাস্টিকের ফাইল ×1
Stunts and special requirements
- মোটরসাইকেল রাইডিং — রাতের সংকীর্ণ গলি ও ফাঁকা রাস্তায় মোটরসাইকেল চালানো, থামানো এবং দ্রুত বেগে ছুটিয়ে নিয়ে যাওয়া
- শারীরিক আঘাত — লোহার শাটারের নিচের অংশে সজোরে লাথি মারা
- মোটরসাইকেল ড্রাইভিং — শ্রাবণী মোটরসাইকেল কিকস্টার্ট দিয়ে তীব্র গতিতে চালিয়ে স্থান ত্যাগ করে
- যানবাহন স্টান্ট — মোটরসাইকেলের পিছনের চাকা রাস্তায় তীব্র ঘর্ষণ ঘটিয়ে শূন্যে লাফিয়ে ওঠা এবং তোরণের নিচ দিয়ে ঝড়ের বেগে ছুটে যাওয়া।
- শারীরিক চাপ সৃষ্টি — শ্রাবণী সুভাষের শার্টের গলার অংশ সজোরে আঁকড়ে ধরে তাকে পেছনের ইটের দেওয়ালে এক ধাক্কায় চেপে ধরে
- শারীরিক ধাক্কাধাক্কি — শ্রাবণী সুভাষের শার্টের কলার ধরে তাকে সজোরে পেছনের নোনা ধরা ইটের দেয়ালের ওপর ঠেলে দেয়
Scene list
| # | Slug line |
|---|---|
| 1 | INT. লালবাজার কন্ট্রোল রুম - NIGHT |
| 2 | EXT. উত্তর কলকাতার গলি ও রাস্তা - NIGHT |
| 3 | EXT. বিদ্যাসাগর সেতু - NIGHT |
| 4 | EXT. বিদ্যাসাগর সেতু - ট্যাক্সির কাছে - NIGHT |
| 5 | INT./EXT. হলুদ ট্যাক্সি - NIGHT |
| 6 | INT./EXT. হলুদ ট্যাক্সি - CONTINUOUS |
| 7 | EXT. বিদ্যাসাগর সেতু - NIGHT |
| 8 | INT./EXT. হলুদ ট্যাক্সি - NIGHT |
| 9 | EXT. বিদ্যাসাগর সেতু - NIGHT |
| 10 | EXT. বিদ্যাসাগর সেতু - তোরণ - NIGHT |
| 11 | EXT. উত্তর কলকাতার গলি – NIGHT |
| 12 | EXT. সুভাষের গ্যারেজ – NIGHT |
| 13 | INT. সুভাষের গ্যারেজ – NIGHT |
| 14 | INT. সুভাষের গ্যারেজ – CONTINUOUS |
| 15 | INT. সুভাষের গ্যারেজ – CONTINUOUS |
| 16 | EXT. উত্তর কলকাতার রাস্তা – NIGHT |
| 17 | EXT. চিতপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা – NIGHT |
| 18 | INT. চিতপুর পরিত্যক্ত গুদাম - বাইরের অংশ – NIGHT |
| 19 | INT. চিতপুর পরিত্যক্ত গুদাম – NIGHT |
| 20 | INT. চিতপুর পরিত্যক্ত গুদাম – CONTINUOUS |
| 21 | INT. চিতপুর পরিত্যক্ত গুদাম – CONTINUOUS |
| 22 | INT. চিতপুর পরিত্যক্ত গুদাম – CONTINUOUS |
| 23 | EXT. চিতপুর গলি – NIGHT |
| 24 | EXT. নিমতলা ঘাট রাস্তা – NIGHT |
| 25 | EXT. নিমতলা ঘাট – গঙ্গার পার – NIGHT |
| 26 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম – NIGHT |
| 27 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম – CONTINUOUS |
| 28 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম – CONTINUOUS |
| 29 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম – CONTINUOUS |
| 30 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম – NIGHT |
| 31 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম - NIGHT |
| 32 | EXT. নিমতলা ঘাট - NIGHT |
| 33 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম - NIGHT |
| 34 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম - CONTINUOUS |
| 35 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম - CONTINUOUS |
| 36 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম - CONTINUOUS |
| 37 | INT. নিমতলা ঘাট পরিত্যক্ত গুদাম - DAWN |
| 38 | EXT. নিমতলা ঘাট - DAWN |
| 39 | EXT. বিদ্যাসাগর সেতু - DAWN |
| 40 | INT. লালবাজার কন্ট্রোল রুম - DAY |
Shooting schedule
Scenes reordered out of script order and grouped so the unit moves as little as possible.
- সিনেমার সিংহভাগ দৃশ্য রাতে বিদ্যাসাগর সেতু, উত্তর কলকাতার গলি এবং নিমতলা ঘাট এলাকায় চিত্রায়িত হবে।
- প্রোডাকশন মার্কেট সুনির্দিষ্টভাবে না থাকায় সাধারণ কর্মঘণ্টা ও বিশ্রাম নিয়মাবলী অনুকরণ করা হয়েছে।
- বাইক স্টান্ট, যানবাহন উত্তোলন এবং ক্লাইম্যাক্সের অ্যাকশন দৃশ্যে অভিজ্ঞ স্টান্ট ও লাইটিং টিমের উপস্থিতি আবশ্যক।
Call sheet
One day of the schedule, expanded into the document the crew actually receives.
| Call | Who | Note |
|---|---|---|
| ১৭:১৫ | #১ সার্জেন্ট অরিন্দম সেন | পোশাক ও মেকআপ প্রিপারেশন |
| ১৭:৩০ | #২ তরুণ কনস্টেবল | পোশাক ও মেকআপ প্রিপারেশন |
| ১৭:১৫ | #৩ শ্রাবণী | পোশাক ও মেকআপ প্রিপারেশন |
| ১৭:৪৫ | #৪ কনস্টেবল রায় | সেটে রিহার্সাল |
| ১৭:৪৫ | #৫ কনস্টেবল দত্ত | সেটে রিহার্সাল |
Your script, the same way
Everything above started as one screenplay. Upload yours and the breakdown, schedule and call sheet come from it — and every suggested edit opens an A/B compare, so nothing changes in your scene until you merge it.
Start free with 2,500 creditsThe same film, in sixteen other languages
Each one generated natively, not translated.